মাসিক ঋতুচক্রের মাঝামাঝি (অর্থাৎ ১৪ দিনের মাথায়) লুটিনাইজিং হরমোন (LH) ক্ষরণের ৩৬-৩৮ ঘন্টার মধ্যে ডিম্বকোষ (Ovum) নির্গত হয়। এই বেরুনর পর ডিম্বকোষ যদি ৩৬ ঘন্টার মধ্যে উপযুক্ত সংখ্যক শুক্রকোষ পায় তবে তার একটির সাথে মিলিত হয়ে সন্তান দিতে পারে। তবে ডিম্বকোষটি জীবিত থাকে আরো প্রায় ৩৬ ঘন্টা অর্থাৎ ডিম্বকোষের আয়ু সর্বমোট ৭২ ঘন্টা বা তিনদিন। অন্যদিকে যৌনমিলনের পর
গোপন কথা **************************http://goponkota.blogspot.com
পাঠকের কাছে অনুরোধঃ এটা একটা শিক্ষনীয় ব্লগ।এই ব্লগ/ওয়েবকে চটি সাইট মনে করার কোন অবকাশ নাই। আমাদের প্রতিদিনের জীবনে আমরা যৌনতা সম্পর্কে কি এবং কতটুকুই বা জানি? পশ্চিমা দেশের ১৬-১৮ বছরের ছেলে-মেয়েরা যৌনতার ব্যাপারে যা জানে, আমাদের দেশে বিয়ের ১৫ বছর পরে ও আমরা তা জানতে পারিনা, বুঝতে পারিনা। তাই আমার এই প্রচেষ্ঠা। এই ব্লগের লেখা দিয়ে যদি কারো কোন উপকার হয়, তাহলেই আমার কষ্ট সার্থক হবে। সবাইকে ধন্যবাদ।
পুনশ্চঃ আপনার ছোট্ট একটু কমেন্ট আমাকে অনেক প্রেরনা দেবে।
মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১২
যৌন বিষয়ে প্রশ্ন উত্তর এবং যৌন সিক্রেট-৩
সেক্স সম্পর্কে জানা মানেই হচ্ছে নিজের সম্পর্কে জানা। অথচ লজ্জা বা আড়ষ্ঠতার কারণে অনেকেই সেক্স নিয়ে খুব একটা ভাল ধারণা রাখেন না। ফলে ব্যক্তিগত যৌনজীবন হয়ে পড়ে একঘেয়েমীপূর্ণ এবং বৈচিত্র্যহীন। আবার অজ্ঞতার কারণে বিভিন্ন রকম যৌন সমস্যায় পতিত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। এসব সমস্যা থেকে উত্তীর্ণ হতে সেক্স সিক্রেট জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।
২১) ছোট্ট ভগঙ্কুর সমস্যা আছে। এটা কি অর্গাজমের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে?
: এক্ষেত্রে কখনোই অতিরিক্ত উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে না যাওয়াই ভাল।
২২) পার্টনারের সঙ্গে অরগাজম উপভোগ করতে পারছি না। এটা কি কোন সমস্যা?
: না, এটা কোন সমস্যা না।
২৩) যদি পার্টনার এবং নিজে একই ধরনের যৌন রোগে আক্রান্ত হয় এক্ষেত্রে কি কনডম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক?
:না, এক্ষেত্রে দু’জনের একই চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে। এন্টিবায়োটিক বেশি ফল দিবে।
২৪) সেক্সের ক্ষেত্রে পুরুষের লং লাস্টিং কীভাবে সম্ভব?
: এক্ষেত্রে কখনোই অতিরিক্ত উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে না যাওয়াই ভাল।
২২) পার্টনারের সঙ্গে অরগাজম উপভোগ করতে পারছি না। এটা কি কোন সমস্যা?
: না, এটা কোন সমস্যা না।
২৩) যদি পার্টনার এবং নিজে একই ধরনের যৌন রোগে আক্রান্ত হয় এক্ষেত্রে কি কনডম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক?
:না, এক্ষেত্রে দু’জনের একই চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে। এন্টিবায়োটিক বেশি ফল দিবে।
২৪) সেক্সের ক্ষেত্রে পুরুষের লং লাস্টিং কীভাবে সম্ভব?
মেয়েদের ঋতুচক্র বা মাসিক
প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।
এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন) স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।
মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ ক্রিয়ার এই পর্বটি ঘটে।
প্রলিফারেটিভ ফেজ ৮-১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময় জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন করার জন্য প্রস্ততি নেয়।
সেক্রেটরি ফেজ টা সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ ও বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ কারনে হয়। এই সময় নিষিক্ত ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।
ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বানু শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবার মিনস্ট্রাল ফেজে চলে যায়। এভাবেই পূর্ন বয়স্ক মেয়েদের ঋতুচক্র চলতে থাকে।
মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা – কী করণীয়?
মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা আমাদের দেশে একটা কমন ব্যাপার। কিন্তু একটু সচেতন হলেই এই ব্যথা এড়িয়ে চলা যায়।
কোন বোতলে গরম পানি ভরে বা কাপড় গরম করে তলপেটে ২০/২৫ মিনিট ছ্যাক লাগাতে হবে। এটা সপ্তাহে টানা ৩/৪ দিন করে করতে হবে। এতে ধীরে ধীরে মাসিকের সময় ব্যাথা কমে যাবে।
এছাড়া আরেকটা পদ্ধতি আছে- সিজ বাথ। ৩ মিনিট গরম পানিতে কোমর ডুবিয়ে বসে থাকতে হবে। পরের ২/১ মিনিট ঠাণ্ডা পানিতে। এভাবে ২০/২৫ মিনিট সিজ বাথ নিতে হবে। এটাও সপ্তাহে টানা ৩/৪দিন নিতে হবে। শুধু পানি বা পানিতে কিছু লবন, বেকিং সোডা বা ভিনেগারও ব্যবহার করা যায়।
আরেকটা পদ্ধতি আছে- http://goponkota.blogspot.se/2011/12/blog-post_30.html । এটাও খুব উপকারী।
এগুলো করলে যোনি মধ্যে রক্ত চলাচল প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত না হয়ে আবার ঠিকঠাক হয়ে যাবে, ব্যাথাও কমে যাবে।
আমাদের দেশের অনেক মেয়েদেরই শারীরিক ফিটনেস ভালো নয় বলে এরকম সমস্যা বেশি হয়। একে একে এই পদ্ধতিগুলোর কথা সবাইকে বলে দিন। একজন আরেকজনকে বলে দিন। এই অবাঞ্চিত সমস্যা থেকে মুক্ত থাকুক আমাদের নারী সমাজ।
রবিবার, ১ এপ্রিল, ২০১২
অনুত্তেজক নারী
আগের যৌনতা সম্পর্কিত প্রশ্ন এবং উত্তর লিখায় এক পাঠক প্রশ্ন করেছেন, এমন কোন ঔষধ কি আছে যেটা খাওয়ালে মেয়েদের যৌন উত্তেজনা বাড়ে ? তার এই প্রশ্নের উত্তরেই এই লেখা।ঔষধ নয়, স্বাভাবিক ভাবেই চেষ্টা করে দেখুন ; পারেন কিনা আপনার সংগী /সংগীনির যৌন উত্তেজনা বাড়াতে!
অনুত্তেজক-১
অনেক নারীই অনেক সময় চরম উত্তেজনায় পৌছাঁতে ব্যর্থ হয়।
যৌন সম্পর্কীয় বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর
যৌন সম্পর্কীয় বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর
প্রশ্নঃ- আমার স্বামীর হাইপারটেনশন রয়েছে। ডাক্তার বলেন এটি যৌন জীবন কোনো প্রভাব ফেলবে না। ব্যাপারটি সঠিক কিনা জানতে চাই।
উত্তরঃ- কি ধরনের ওষুধ আপনার স্বামী খাচ্ছে সেটি একটি ব্যাপার।
সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি : কিছু প্রচলিত মিথ বা ধারনা
বহু যুগ ধরে যৌণতা সম্পর্কে নানা সত্য-মিথ্যা ধারণা আমাদের মধ্যে প্রচলিত আছে৷ সেই ধারনাগুলি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত আপনাদের জানানো হল৷
*মিথ : যৌনাঙ্গের পরিমাপ প্রভাবিত করে
নারীর স্বমেহন
যৌনমিলন ছাড়া ও নারী চূড়ান্ত যৌন আনন্দ পেতে পারে । এটি হচ্ছে নারীর স্বমেহন প্রক্রিয়া । নারী যদি স্বমেহন বা হস্তমৈথুন করে তবেও তার যৌন আনন্দ পেতে পারে । নারীর ভগাংকুরের অংশটি সবচেয়ে বেশি উত্তেজক অংশ এখানে নারী হাতের স্পর্শে বা যৌনির ভেতরে লিঙ্গ সদৃশ্য কোনো কিছু ঢুকিয়ে নারী যৌন আনন্দ পেতে পারে । অনেকে মনে করেন যৌনমিলন ছাড়া যৌন আনন্দ পাওয়া আদৌ সম্ভব নয় । কিন্তু এটি সত্য যে স্বমেহন যৌন জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ ।
শুক্রবার, ৯ মার্চ, ২০১২
যৌনতা সম্পর্কিত প্রশ্ন এবং উত্তর
পুরুষের যৌনবিষয়ক নানা প্রশ্ন মনে আসে, সেসবের কিছু প্রশ্ন ও উত্তর নিচে তুলে ধরা হলো।
*প্রশ্নঃ কি করে প্রথম হস্তমৈথুন বিষয়ে ধারণা পায়?
উত্তরঃ শিশু বয়সে লিঙ্গ নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু হয়। তখন সে দেখতে পায় নাড়াচাড়া করলে লিঙ্গ শক্ত হয়। বয়ঃসন্ধিকালে নাড়াচাড়া করার সময় হঠাৎ বীর্যপাত হয়। এটা বিস্ময়ের জন্ম দেয়। বীর্যপাতে সুখানুভূতি হয়। পরবর্তীতে হঠাৎ পাওয়া জিনিসটাকে সে নিজের ইচ্ছাধীন করে ফেলে এবং ইচ্ছামতো বীর্যপাত ঘটায়।
বৃহষ্পতিবার, ৮ মার্চ, ২০১২
স্তন এবং বুক সুগঠিত করার ব্যায়াম
১. কব্জি, হাত এবং বাহু স্ট্রেচিং
এগুলো শুধু হাতের গঠনই সুন্দর করে না, সারা দেহে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। এতে হাতের কবজি এবং বাহুও দৃঢ় হবে যা অন্যান্য ব্যায়ামগুলো করতে দরকারী। কব্জিতে শক্তি থাকলে অন্যান্য ব্যায়াম করতেো সুবিধা হবে এবং অযথা ব্যথার হাত থেকে রক্ষা পাবেন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টস (Atom)
