পাঠকের কাছে অনুরোধঃ এটা একটা শিক্ষনীয় ব্লগ।এই ব্লগ/ওয়েবকে চটি সাইট মনে করার কোন অবকাশ নাই। আমাদের প্রতিদিনের জীবনে আমরা যৌনতা সম্পর্কে কি এবং কতটুকুই বা জানি? পশ্চিমা দেশের ১৬-১৮ বছরের ছেলে-মেয়েরা যৌনতার ব্যাপারে যা জানে, আমাদের দেশে বিয়ের ১৫ বছর পরে ও আমরা তা জানতে পারিনা, বুঝতে পারিনা। তাই আমার এই প্রচেষ্ঠা। এই ব্লগের লেখা দিয়ে যদি কারো কোন উপকার হয়, তাহলেই আমার কষ্ট সার্থক হবে। পুনশ্চঃ ব্লগটি চালু রাখতে, ডোনেশন করুন।আপনার ছোট্ট একটু কমেন্ট আমাকে অনেক প্রেরনা দেবে।দয়া করে Facebook এ একটা Like দিন। সবাইকে ধন্যবাদ।

সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০১১

সমকামিদের অজানা কথা ১

সমকামিদের অনেক অজানা কথা আছে যা সাধারন মানুষ জানেনা। অনেকের কৌতুহল আছে। তাই সেইগুলো আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।




প্রথমতঃ সমকামিরা হিজড়া না।

সমকামি দের মধ্যে কেউ কেউ শুধু পুরুষদেরই পছন্দ করে, আবার কেউ কেউ পুরুষ ও মহিলা, উভয় কেই পছন্দ করে।

যে সব সমকামি পুরুষ শুধু অন্য পুরুষ কে পছন্দ করে তাদের কে গে বলা হয় আর যারা নারী পুরুষ উভয় কে পছন্দ করে তাদের কে বাই (Bi) বলা হয়। মেয়েদের কে বলা হয় লেসবিয়ান।

ঢাকায় কিছু জায়গা আছে যেখানে সন্ধার পর সমকামিরা জড়ো হয় তাদের বিছানার সঙ্গি খুজতে।

চ্যাটিং এর বদৌলতে এখন সমকামিরা ঘরে বসে অন্য সমকামির সাথে সহজেই পরিচিত হতে পারতেছে।ইয়াহু চ্যটিং এর বাংলাদেশ রুমে গেলে দেখবেন boy2boy, boy4boy, man2man, gay**** এরকম অনেক নাম। এরা এইসব নিক নিয়ে বসে থাকে অন্য সমকামি কে খোজার জন্য। ইন্টারনেট কে কেন্দ্র করে সমকামি দের সর্কেল ও সৃষ্টি হয়েছে।

সমকামিদের ২/৩ টা ফ্রেন্ডশীপ গ্রুপ আছে। তারা ডিসকো নাইট, পিকনিক আয়োজন করে, গেট টুগেদার করে।

সমকামিদের মধ্যে ও ভালোবাসা টা প্রবল। একজন ছেলের অন্য ছেলের প্রতি ফিলিংস এত প্রবল, না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবেন না।

বাংলাদেশে আনেক সমকামি বিবাহিত ও সংসার করছে কিন্তু সমাজের চাপে তারা কিছু বলে না , বিয়ের পর চুপি চুপি অন্য ছেলের সাথে যৌনকর্ম চালায়ে যায়।

বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০১১

বিশ্বের কয়েকটি দেশের অদ্ভুত যৌন আইন

সেক্স অর্থাৎ কামজ বিষয়টি স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি বিষয়। যদিও কোনো কোনো দেশে এই জৈবিক চাহিদাকে সহজ ভাবে নেয়া হয়েছে আবার কোনো কোনো দেশে নেয়া হয়েছে ঠিক তার উল্টো। সেক্স নিয়ে যাতে বাড়াবাড়ি না হয় সে জন্য কঠোর আইন প্রনয়নও করা হয়েছে বেশ কয়েকটি দেশে। তাছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এই জৈবিক চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আলাদা আলাদা বিধি-নিষেধ জারী করা হয়েছে। এরপরও কোনো কোনো দেশের আইন প্রণেতাগণ, ভিনদেশের ধর্মীয় আলেম, চিন্তাবিদগণ কামজ বিষয়টি আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ করার নামে যে সমস্ত উদ্ভট আইন ও বিধি প্রনয়ন করেছে যা রীতিমত হাস্যকর। বিশ্বের এমনি কয়েকটি দেশের আইন প্রনেতা ও ধর্মীয় আলেমদ্বারা সৃষ্টি বিরোধী ও অসঙ্গতিপূর্ণ কামজ আইন নিয়ে আজ সন্মানিত ব্লগারদের সাথে শেয়ার করছি ।




১। যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নয় কিন্তু তার অধীনে, প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্হিত এমন একটি দ্বীপের নাম গুয়াম। এই গুয়াম দ্বীপটিতে আইনবলে কুমারী মেয়েদের বিয়ে নিষিদ্ধ। সেখানে কোনো কুমারী মেয়ে বিয়ের পিড়িতে বসতে চাইলে আইনুযায়ী অবস্যই তাকে কুমারীত্ব বিসর্জন দেয়ার জন্য কোনো পুরুষের কাছে যেতে হয়। এখানে এমন পেশাদার পুরুষ পাওয়া যায় যারা কুমারী মেয়েদের কুমারীত্ব নাশ করার বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করে থাকে।

২।যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের আইনে কুমারী মেয়েদের সাথে সহবাস নিষিদ্ধ। এমনকি বিয়ের পর বাসর রাতেও স্বামী তার কুমারী বধুর সাথে সহবাস করতে পারবে না। তবে কুমারী মেয়ে কিভাবে তার কুমারীত্ব বিসর্জন দিবে এ বিষয়ে কোনো আইনী ব্যাখ্যা দেয়া হয় নাই যেমনটি দেয়া হয়েছে গুয়ামের কুমারী মেয়েদের বেলায়।

৩। লেবাননের পুরুষদের গৃহপালিত প্রাণীর সাথে যৌন সর্ম্পক সৃষ্টি করতে আইনগত কোনো বাধা নাই। তবে শর্ত হচ্ছে যে প্রাণীর সাথে যৌন সর্ম্পক সৃষ্টি করবে সেটি অবস্যই মাদী প্রজাতির হতে হবে অন্যথায় আইন ভঙ্গের কারণে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হতে পারে।



৪।মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে মেষ বা ভেড়া সাথে যৌন সর্ম্পক স্হাপন করাকে বৈধতা দেয়া আছে। তবে যে ভেড়ার সাথে যৌন সর্ম্পক স্হাপন করা হবে কোনো অবস্হায় তার গোস্ত খাওয়া চলবে না। এই বিষয়ে ফতোয়ায় বলা হয়েছে " ভেড়ার সাথে যৌন র্চ্চার পর তার গোস্তু ভোজন করা হবে মারাত্মক গুনাহ "।

৫।বাহরাইনের আইনে স্ত্রীরোগ বিষরদগণ স্ত্রীলোকদের যৌনাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারবে। কিন্তু উত্তেজনার বশত কোনো দুর্ঘটনা না ঘটতে পারে সে জন্য আইন প্রণেতাগণ ডাক্তাদের সরাসরি যৌনাঙ্গ দেখা নিষিদ্ধ করে দিয়ে সে ক্ষেত্রে আয়না ব্যবহার করে প্রতিবিম্বের মাধ্যমে রুগীর যৌনাঙ্গ দেখা ও পরীক্ষা করার অনুমতি দেয়।



৬। ইসলাম ধর্মে মৃত ব্যক্তির জননেন্দ্রিয় দেখা নিষেধ। এমনকি যারা মৃত ব্যাক্তির গোসল ও দাফন কার্যে অংশ নিবে তাদের বেলায়ও একই শর্ত থাকবে। যদি কোনো কারণে মৃত ব্যক্তির গোসলের সময় তার যৌনাঙ্গ ঢাকার জন্য কাপড় না পাওয়া যায় তাহলে কাপড়ের পরিবর্তে ইটের টুকরা বা কাঠের টুকরা ব্যবহার করা যাবে কিন্তু কখনই তাকে নগ্ন অবস্থায় গোসল দেয়া যাবে না

৭।কলম্বিয়ার কালী অঞ্চলের আইনে মেয়েদের বিয়ের পর স্বামীর সাথে তার বাসর রাত মায়ের উপস্হিতিতেই যাপন করতে হয়।

৮। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় বৈদুতিক বাতি জ্বালিয়ে সহবাস করা আইনত দন্ডনীয়।

৯। যুক্তরাষ্ট্রের উতাহ রাজ্যে এম্বুলেন্স এর ভিতর মেয়েদের যৌন সম্ভোগ করা নিষিদ্ধ। যদি কোনো মেয়ে এ কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে বা প্রমানিত হয় তাহলে আইনবলে সেই মেয়ের ছবিসহ সকল কুকীর্তি স্হানীয় পত্রিকায়

প্রকাশিত হয় পক্ষান্তরে পুরুষের বেলায় হচ্ছে "সাত খুন মাফ"।

১০। হংকং এ কামজ বিষয়ে ধর্মীয় বিধি-নিষেধ নাই । তবে কোনো স্ত্রী যদি মনে করে তার স্বামী তাকে প্রতারিত করেছে বা সে যদি প্রমান পায় তার স্বামী একজন ব্যভিচারী তখন সে কেবল তার নিজ হস্তে স্বামীকে খুন করতে পারবে পক্ষান্তরে একই অপরাধ যদি স্ত্রী করে থাকে তাহলে যে কোনো উপায়ে স্বামী তাকে খুন করতে পারবে।

১১। বলিভিয়ার সান্তা ক্রুজ এর আইনে একই সময়ে মেয়ে এবং তার মায়ের সাথে পুরুষের যৌন সম্ভোগ অবৈধ করা হয়েছে ।



১২ । কাপড়ের ভেতর দিয়ে লিঙ্গ খাড়া অবস্হায় দৃষ্টিগোচর হয় এ ধরনের পোষাক পরিধান যুক্তরাষ্টের আরিজোনা এবং উইসকনসিন এ নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।

১৩। ইন্দোনেশিয়ায় হস্তমৈথুন করা একটি বিশাল অপরাধ এবং এই অপরাধ করার জন্য শাস্তি মৃত্যুদন্ড ।

১৪। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় মাছের সাথে পুরুষের যৌন সম্পর্ক করা অবৈধ ।

১৫। সিঙ্গাপুরে ওরাল সেক্স সম্পূর্ণ অবৈধ যদি পরবর্তিতে সেটি যোনি পথে সঙ্গম না হয় ।

Extra 
(ক ) হল্যান্ডে ১২ বছর বয়সী ছেলে মেয়েদের সাথে যৌন সম্পর্ক বৈধ। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই তাদের সম্মতি থাকতে হবে।




( খ ) বৃটেনের আইনে নানী / দাদী তাদের নাতিনদের সাথে যৌন সম্পর্ক সৃষ্টি করতে পারবে পক্ষান্তরে মেয়েরা তাদের নানা / দাদার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না ।



(গ ) থাইল্যান্ডে অন্তর্বাস ব্যতিত মেয়েদের রাস্তায় বের হওয়া আইনত দন্ডনীয়। আইন অমান্য কারীকে ১ম বারের জন্য অর্থ জরিমানা এবং একই অপরাধ পুনরাবৃত্তি করার জন্য কারাবাসের বিধান রয়েছে ।



( ঘ) যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডায় কনডন ব্যবহার ব্যতিত যৌনসম্ভোগ অবৈধ।

মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০১১

টিপস >> পুরুষত্বে সমস্যা – ঘরোয়া সমাধান

বর্তমান যুগে বেশীর ভাগ পুরুষের মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে৷ দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌণ ইচ্ছা ক্রমশঃ কমে যাচ্ছে৷ কাজেই আপনার যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে আপনি সচেতন হয়ে যান৷ জেনে নিন কেন আপনার মধ্যে থেকে এই চাহিদা ক্রমঃ ক্ষয়মান৷




এই কারণে ডাক্তারের কাছে যেতে কুন্ঠিত বোধ করছেন? তবে চিন্তা করবেন না কারণ এর চিকিত্সা আপনি এখন আপনার বাড়িতেও করতে পারেন৷ আর আপনি একবার এই সমস্যার সন্মুখীন হলে পরবর্তী সম্পূর্ণ জীবন আপনাকে এভাবে কাটাতে হবে এমন কোন আশঙ্কাতে আপনি থাকবেন না৷



হোম রেমেডি পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার উপায় বার করেছে হোম রেমেডি৷ যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবে মাত্র দেখা দিয়েছে তাদের ক্ষত্রে হোম রেমেডি কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে হোম রেমেডি দ্বারা চিকিত্সা করা যায় কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়৷



এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম ধাপের চিকিত্সাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কিকি সামগ্র্রী কাজে লাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার সাধিত হয়–



রসুন :

যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune booster হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়্ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন খুব ই কার্যকরী৷



প্রতিদিন দু থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উত্পাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷



পেঁয়াজ :

কাম-উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসাবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকে ই ব্যবহূত হয়ে আসছে৷ কিন্তু এটি কিভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখন ও পর্যন্ত সঠিক ভাবে জানা যায় নি৷



সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন (যাকে এক কথায় spermatorrhea বলা হয়) ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷



এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷ এঅটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷



গাজর :

150গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা কম হতে পারে৷



কাজেই এখন আর দুধ্চিন্তা করবেন না৷ সমস্যার একেবারে প্রথম ধাপে আপনি বাড়িতে এই পদ্ধতি গুলি মেনে চলে দেখুন হয়তঃ প্রাথমিক ধাপে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে৷



রবিবার, ২০ মার্চ, ২০১১

শুধু মাত্র পুরুষের জন্য টিপস

অবিবাহিত রা পোষ্ট না পড়ে চোখ বুঝে সোজা প্রিয়তে রাখন, কারন যখন বিয়ে করবেন তখন কাজে লাগতে পারে।




 বিবাহ অনেকে করেছেন, কিন্তু সুখী কয়জন???


আমার বন্ধুদের বিবাহিত জীবনের অনেক কথা শুনেছি, একজন ছেলে ও মেয়ে বিবাহিত জীবনে যত টুকু প্রত্যাশা করে বাস্তাবে তার কোন মিল নেই, অবিবাহিতদের জীবনে একটাই স্বপ্ন সুন্দর দম্প্যত জীবন, কিন্তু বাস্তবতা অনেক ফারাক দেখা যায়, অপুরন স্বপ্ন, ইচ্ছা শক্তির পরাধীনতা, প্রত্যাশিত জীবনের অবস্তবতা, দাম্পত্য জীবনে দুঃখ কষ্ট এনে দেয়, ফলে সমাজে পরকীয় প্রেমের উৎথ্যান ঘটে, অসুখী দাম্পত্যরা মনের সু্প্ত বাসনা গুলি পূরন করার জন্য পরকীয়তা লিপ্ত হয়, ফলে আমাদের সামাজে নানা অঘটন ঘটছে।


ভাষন দিয়া লাভ নাই, ভাষন দেওয়া জ্ঞানীদের কাজ, আমি দাম্পত্য জীবনের জন্য কিছু টিপস্ দিতে পারি।


১। বিয়ের আগে ভাবুন কি রকম মেয়েকে আপনি জীবনর জন্য সবচে উপযুক্ত।


২। আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী মেয়ে নির্বাচন করুন।


৩। ভুলে ও আপনার চাইতে বেশী শিক্ষিত, বেশি ধনী মেয়ে বিয়ে করবেন না, হয়তো তার জন্য সারা জীবন পস্তাতে হবে, (কানে কানে বলি আপনার চাইতে বেশী শিক্ষিত, ও বেশী ধনী হলে তার টেম্পার হবে ১২০ ডিগ্রীর উপড়, অবশ্যই সব মেয়ে একরকম না)


৪। বাসর রাতে অবশ্য বিড়াল মেরেছেন তো??? নাকি বিড়ালে জ্বালায় এখনো জ্বলছেন, না মেরে থাকলে নিচের মেনুটি অনুসরন করুন।


৫। বউয়ের কাছে আপনার দূর্বল দিক গুলি কোনটি, তা নির্বাচন করুন। যতদূর সম্ভব দূর্বলতা কাটিয়ে উঠুন, বউয়ের কাছে কোন দূর্বলতা আপনার মানসিক ও শারীরকতার উপড় প্রভাব পড়ে, যা ভবিষ্যতের জন্য মারাত্নক ক্ষতি কর,


৬। নিজের মনে অন্য কোন মেয়ের স্থান দিবেন না, মনে রাখবেন আপনি যতই চালাক হোন না কেন, অন্য মেয়ের সাথে সর্ম্পক একদিন না একদিন আপনার স্ত্রী জানবেনই, (কানে কানে মেয়েরা খুব সন্দেহ প্রবন আপনাকে সব সময় চোখে চোখে রাখে)


৭। স্ত্রী কে প্রচুর ভালবাসা দিন, তার ভাল লাগা দিক গুলি গুরুত্ব দিন, দেখবেন সে ও আপনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠবে।


৮। মেয়েরা স্বামীর সাথে বেড়াতে ভালবাসে, অতএব, অল্প খরচে অধিক সময় থাকা যায়, এমন স্থান র্নিবাচন করুন, (যদি টাকা পয়সার টানাটানী থাকে)


৯। আপনি রাতে ঘুমান কি ভাবে??? সব সময় বউকে জড়িয়ে ঘুমাতে চেষ্টা করুন, (যদিও ডিজিটাল দেশে বিদু্ৎ সমস্যার কারনে গরমে রাতে ঘুমানো কষ্ট কর)


১০। ঐ কাজের পর বউয়ের কাছ থেকে ১০০ হাত দুরে চলে যাবেন না, তাকে বুকে জড়িয়ে বিশ্রাম নিন, এতে ভালবাসা বাড়ে। (পরীক্ষিত)


১১। রাস্তা ঘাটের এবং বাসে ঢিল ছোড়া বিজ্ঞাপনের প্রতি কি আপনার দূর্বলতা আছে ( আই মিন বিশেষ অঙ্গের দুর্বলতা) স্ত্রীর সাথে ঐ সময় যদি ক্ষনস্থায়ী হয়, তবে মানসিক ভাবে ধীঢ়তার প্রস্তুত থাকুন, যখন মনে হবে আপনি ফেল মারতাছেন, তখনি বন্ধ করে স্ত্রীকে চুম্মন, লেহন, আদর করুন, অথবা হালকা, মজা করুন, তার পর আবার শুরু করুন। (এটাও পরীক্ষিত)


১২। বিয়ের আগে যাই বলুন না কেন, বিয়ের পর কিন্তু কখনো বউকে বলতে যাবেন না, তুমিই আমার সব, তুমি ছাড়া জীবনে আমার কিছু, নেই,


( এই সব কইছেন তো মরছেন, বউয়ের টেম্পার বেড়ে যাবে)


১৩। পারতো পক্ষে বউয়ের দূর্বলতা নিয়ে কথা বলবেন না, তা হলে বউ খুব মন খারাপ করবে ফলে মেজাজ সব সময় খিটখিটে থাকবে।


১৪। অযথা সন্দেহ করনে না, যদি সন্দেহ যুক্ত কিছু ধরা পড়ে তবে বউ কে কিছু না বলে তদন্ত করুন, (আবার তদন্ত প্যনেল গঠন করবেন না, কারন যদি মিথ্যা সন্দেহ হয় তবে লজ্জার শেষ থাকবে না, বউয়ের খোটা শুনবেন আজিবন ফ্রি) সন্দেহ হলে প্রমান হাতে নিয়ে বউ কে রিমান্ডে নিন, জিঙ্ঘ্াসা বাদ করুন, পরদিন বউকে নিয়ে কোন রেষ্টুরেনটে খেতে যান, এবং বউকে বুঝান আপনি তাকে কত ভালবাসেন, অতীতের ভালবাসার দিক গুলি উপস্থাপন করুন, পারলে তাকে নিয়ে সুন্দর কোথাও বেড়াতে যান,


এর পর ও যদি বউয়ের প্রেমিকা আছে এমন প্রমান পান, ছাইরা দে মা কান্দা বাচি, এ মেয়ে আপনার জীবনের জন্য নয়, সে তার প্রেমিকের অতএব অন্যর বউ নিয়া নিজের জীবনে অশান্তি এনে লাভ কি???


‍"একলা চলরে " অনুসরন করুন, জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবুন,( এটা শুধু যাদের ছেলেমেয়ে নাই তাদের জন্য)

শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০১১

বিয়ে করার আগে এই লেখাটি ভালো ভাবে পড়ে নিন




বিয়ে সম্পর্কে এই উক্তিগুলোর অনেকগুলো করেছেন বিখ্যাত মানুষেরা। তাদের নাম এখানে উল্লেখ করা হল না এই কারণে যে এগুলো আসলে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষেরই মনের কথা,প্রাণের কথা।



আর এই কথা গুলোকেই আমরা বাণী চিরন্তনী বলে আখ্যায়িত করেছি।



১-আমি আর আমার স্ত্রী জীবনের ২৫টা বছর বড়ো আনন্দে কাটিয়েছি। তারপর আমাদের পরিচয় হল।



২-"A man is incomplete until he is married. After that, he is finished."



৩-আমি বহুদিন আমার স্ত্রীর সাথে কথা বলি নি, আমি আসলে তাকে কথার মাঝখানে থামাতে চাই নি।



৪-সব বিয়েই সুখের। পরবতী সময়ে একসঙ্গে থাকতে গিয়েই যত ঝামেলা হয়।



৫-বিয়েঃ একটি বৈধ ও ধর্মসম্মত অনুষ্ঠান যেখানে দুজন বিপরীত (সাধারণত) লিঙ্গের মানুষ পরস্পরকে জ্বালাতন করা এবং পরস্পরের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করার শপথ নেয় ততদিনের জন্য যতদিন না মৃত্যু এসে তাদেরকে আলাদা করে।



৬-সুখি দাম্পত্য জীবনের জন্য একজন পুরুষের উচিত তার মুখ বন্ধ রাখা আর চেকবই খোলা রাখা।



৭-সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে একটু ভালোবাসা,একটু আদর,একটু কোমলতা পাওয়া - একে এক কথায় কি বলে বলতে পারেন? একে বলে আপনি ভুল বাসায় এসেছেন।



৮-মেয়েরা কেমন পুরুষ চায়? সুদর্শন, বিত্তবান এবং নিবোধ।



৯-একজন পুরুষের শেষ কথা কি হওয়া উচিত? “ঠিক আছে, কিনে ফেলো”।



১০-স্বামী আর স্ত্রী হল একটি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ, একসাথে থাকলেও তারা কখনো মুখোমুখি হতে পারে না।



১১-স্বামী হিসেবে প্রত্নতত্ত্ববিদরাই সবচেয়ে আদর্শ। পুরনো জিনিসের প্রতিই তাদের আগ্রহ বেশি।



১২-“Three rings of marriage are the engagement ring, the wedding ring, and the suffering.”



১৩-মেয়েরা আশা করে ছেলেরা বিয়ের পরে বদলাবে, কিন্তু তা হয় না। আর ছেলেরা আশা করে মেয়েরা বিয়ের পরেও একইরকম থাকবে, কিন্তু তারা বদলে যায়।



১৪-“The secret of a happy marriage remains a secret.”



১৫-বিষয়টি মজার যে একটি ছেলের জীবনে যখন কোন ধরণের দুশ্চিন্তা থাকেনা, সে বিয়ে করে। এটা অনেকটা সুখে থাকতে ভূতে কিলানোর মত।



১৬-আপনার স্ত্রী আপনার কৌতুক শুনে হাসল, এর অর্থ হচ্ছে হয় কৌতুকটি খুব ভালো, নয় আপনার বউ খুব ভালো।



১৭-বিয়ের আগে পযন্ত আমি জানতাম না সত্যিকারের সুখ কাকে বলে। যখন জানলাম তখন বড্ড দেরি হয়ে গেছে।



১৮-অনেকেই আমাদের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের রহস্য নিয়ে প্রশ্ন করে। তাদেরকে বলি, সপ্তাহে দুদিন ভালো রেস্তোঁরায় ডিনার, মৃদু আলোতে সফ্‌ট মিউজিক, একটুক্ষণ নাচ – এই তো। আমি যাই বিষ্যুদবারে, আমার স্ত্রী সোমবারে।



১৯-বিয়ে না করলে ছেলেরা সারাজীবন ধরে ভাবত, তাদের জীবনে কোন ভুল নেই।



২০-একজন নববিবাহিত যখন বলে সে সুখি, আমরা জানি, কেন। একজন ১০বছরের বিবাহিত মানুষ যখন বলে সে সুখি, আমরা ভাবি,কেন?



২১-ছেলেটি বলেছিল মেয়েটির জন্য সে নরক পযন্ত যেতে রাজী। ঈশ্বর তাকে সেই সুযোগ করে দিয়েছেন। তাদের বিয়ে হয়েছে।



২২-বিয়ের আগে ছেলেটি যখন মেয়েটির হাত ধরে, সেটি হচ্ছে ভালোবাসা। আর বিয়ের পরে যখন ধরে, সেটি হচ্ছে আত্মরক্ষা।



২৩-ভালবাসা হচ্ছে একটি মিষ্টি স্বপ্ন আর বিয়ে হচ্ছে এলার্মক্লক।



২৪-এটা সত্যি যে কেউ পরাধীন হয়ে জন্মায় না, কিন্তু অনেকেই বিয়ে করে ফেলে।



২৫-এটা সত্যি যে ভালোবাসা অন্ধ, তবে বিয়ে চোখ খুলে দেয়।



২৬-মেয়েটি তার মাকে গিয়ে বলল, “আমি এমন একটি ছেলেকে খুঁজে পেয়েছি যে ঠিক বাবার মত”। মা বললেন, “এখন তুমি আমার কাছে কি চাও? সান্ত্বনা?”



২৭-বিয়ে হচ্ছে বুদ্ধিমত্তার বিরুদ্ধে কল্পনার জয়। আর দ্বিতীয় বিয়ে হচ্ছে অভিজ্ঞতার বিপক্ষে আশাবাদের জয়।



২৮-মেয়েরা সত্যিই unpredictable. বিয়ের আগে তারা একজন পুরুষকে expect করে, বিয়ের পরে তাকে suspect করে, আর তার মৃত্যুর পরে তাকে respect করে।



২৯-In the beginning, God created earth and rested. Then God created man and rested. Then God created woman. Since then, neither God nor man has rested.



৩০-পত্রিকায় একটি ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন ছাপা হল, “Husband Wanted”। পরদিন কয়েকশ’ মহিলা যোগাযোগ করলেন, “আমারটি নিতে পারেন”।



৩১-একটি ছেলে ১টাকার জিনিস ২টাকায় কিনবে যদি এটা তার প্রয়োজনে লাগে। আর একটি মেয়ে ২টাকার জিনিস ১টাকায় পেলেই কিনবে জিনিসটা তার কাজে লাগুক চাই না লাগুক।



৩২-একটি মেয়ে তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চিন্তিত থাকে যতদিন তার বিয়ে না হয়। ছেলেদের চিন্তাটা বিয়ের পরে শুরু হয়।





৩৩-একজন সফল পুরুষ সে-ই যে এত টাকা আয় করতে পারে যা তার বউ খরচ করে শেষ করতে পারে না। একজন মেয়ের ক্ষেত্রে সাফল্য হচ্ছে এরকম একজন পুরুষকে খুঁজে বের করতে পারা।



৩৪-একজন পুরুষের সাথে সুখে থাকার মন্ত্র কি? You must understand him a lot and love him a little. একটি মেয়ের সাথে সুখে থাকতে হলে you must love her a lot and not try to understand her at all.



৩৫-বিয়ে করার একটা সুবিধা হচ্ছে, তোমার ভুল-ত্রূটিগুলো আর তোমার কষ্ট করে মনে রাখার দরকার নেই। এক কাজ দুজনের করার অর্থ কি?



৩৬-বিবাহিত পুরুষেরা চিরকুমারদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচে। মানুষ যা চায় তা কখনোই পায় না।







যদি কোনো বিবাহিত পুরুষ Blogger থেকে থাকেন তবে তাদের কাছ থেকে আমি অনেক মন্তব্য আশা করছি এই কারনে যে তাদের বিবাহ জীবনের সাথে উপরের এই ৩৬টি উক্তিগুলোর কয়টি পুরোপুরি মিলে গেছে তা জানার জন্য।

ধন্যবাদ।

রবিবার, ৬ মার্চ, ২০১১

১০০ সেক্স সিক্রেট

সেক্স সম্পর্কে জানা মানেই হচ্ছে নিজের সম্পর্কে জানা। অথচ লজ্জা বা আড়ষ্ঠতার কারণে অনেকেই সেক্স নিয়ে খুব একটা ভাল ধারণা রাখেন না। ফলে ব্যক্তিগত যৌনজীবন হয়ে পড়ে একঘেয়েমীপূর্ণ এবং বৈচিত্র্যহীন। আবার অজ্ঞতার কারণে বিভিন্ন রকম যৌন সমস্যায় পতিত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। এসব সমস্যা থেকে উত্তীর্ণ হতে সেক্স সিক্রেট জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।



১) কারো শরীর দেখে কি সেক্সচুয়াল সক্ষমতা বোঝা সম্ভব?

: না।

২) অনেক দূরে থাকা প্রিয়জনের সাথে ফোন সেক্স করতে চান অথচ বলতে লজ্জা পাচ্ছেন, লজ্জা ভাঙ্গবেন কীভাবে?

: প্রথমে তাকে মজার এসএমএস পাঠান। দেখবেন আস্তে আস্তে ইজি হয়ে যাবেন তার সাথে।

৩) পানির নিচে কনডম কতটা কার্যকর?

: তা এখনো পরীক্ষা করা হয়নি তাই বিশ্বস্ততার স্বার্থে সতর্ক হওয়া উচিত।

৪) পছন্দের ব্যক্তির কাছে নিজেকে বিশ্বস্ত করার জন্য সবচেয়ে ভালো গান কি হতে পারে।

: জাস্টিফাই মাই লাভ বাই ম্যাডোনা।

৫) যদি পার্টনার আপনার চেয়ে অনেক বেশি লম্বা হয় তবে শারীরিক সম্পর্ক করার ক্ষেত্রে কি করবেন।

: এমন স্থান এবং আসন নির্বাচন করা উচিত যেখানে আপনি স্পিড কন্ট্রোল করতে পারবেন। যেমন মেয়ে পার্টনার উপরে থাকা।

৬) ব্লো জব এর সময় অনেকেই দাঁত ব্যবহার করে, আপনি কতটা জানেন।

: খুব কম সংখ্যক যুগলই এমনটা করে থাকে। তবে ব্লো জবের সময় এটা করতে চাইলে অবশ্যই পার্টনারকে জিজ্ঞাস করে নিবেন।

৭) প্রিয়জনের সঙ্গে যখন যৌন উত্তেজনা চরমে তখন সে আপনাকে কিছুই করতে দেয়না। এখানে কি ভুলবোঝাবুঝির অবকাশ আছে?

: এটা সকলের ক্ষেত্রে হয়না ।

৮) পুরুষের কমন ফ্যান্টাসি কী?

: একাধিক নারীর সঙ্গে সমানতালে সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়া।

৯) উত্তেজনার সময় পুরুষের বিশেষ অঙ্গ কিছুটা বেঁকে যায, এতে কি উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ আছে?

: মাঝে মাঝে বেঁকে যাওয়া সাধারণ ঘটনা। তবে আঘাত জনিত কারণে ঘটলে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।

১০) পিরিয়ড-এর সময় রুক্ষ্ম এবং শুষ্ক অনুভূতি হওয়ার কারণ কী?

: কারণ ঐ সময় গর্ভ সঞ্চার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে।

১১) সেক্স নিয়ে ভাবলে কি মেয়েদের অরগাজম হয়?

: এটা মাত্র ২ শতাংশ নারীর হয় এবং তারা অবশ্যই ভাগ্যবান।

১২) ছত্রাক জাতীয় ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে কি সেক্স করা উচিত?

: পার্টনারও এই ছত্রাক জাতীয় রোগে আক্রান্ত হতে পারে তাই অধিক সচেতন হওয়া বাঞ্ছনীয়।

১৩) প্রত্যেকেরই কি জি-স্পট থাকে?

: হুম। এটা প্রত্যেক স্তন্যপায়ী প্রানীরই থাকে।

১৪) শুষ্ক অবস্থায় সেক্সের ভালো উপায় কি হতে পারে?

: এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করলে এমটি হতে পারে। তাই এটি গ্রহণ না করে এবং ওয়াটার বেস লুব ব্যবহার করে সমস্যা সমাধান হতে পারে।

১৫) সেক্সুয়ালি টেন্সমিটেড ডিজিজ পরীক্ষা কি ঘরেই করা সম্ভব, না ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত?

: ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিশ্চিত হওয়াই উত্তম।

১৬) কীভাবে পেরিনিয়ামকে সর্বোচ্চ উত্তেজিত করা যায ?

: আলতোভাবে দু্‌ই আঙ্গুল দিয়ে চাপ দেয়া যেতে পারে।

১৭) ব্লু বল কি সত্যিকারে আছে?

: দীর্ঘস্থায়ী মিলনের কারণে অন্ডকোষ এবং পেরিনিয়ামে অস্বস্তির সৃষ্টি হতে পারে তবে কোন ব্যথা অনুভূত হয় না ।

১৮) সেক্সের সময় ভাইব্রেটর ইউস করার উত্তম পদ্ধতি কি?

: সেক্সের ক্ষেত্রে ভাইব্রেটর ইউস করার সময় সচেতনতা অবলম্বন করা উচিত।

১৯) পার্টনারকে আরো বেশি কাছে পাওয়ার জন্য কি ধরনের ভাষা ব্যবহার করা যেতে পারে?

: আমি তোমাকে সব সময়ই অনুভব করি যা তুমি নিজেও কর আমার প্রতি। তুমি সব সময়ই সব অবস্থাতে অনেক বেশি উত্তম।

২০) আপনি যা করতে চান সে বিষয়ে পার্টনারের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার উপায় কী?

: পেট কিংবা তার বুকে সেক্সের দৃষ্টিতে তাকান। যদি তাতেও না হয় তবে তাকে বলতে পারেন আপনার অনুভূতির কথা।

২১) ছোট্ট ভগঙ্কুর সমস্যা আছে। এটা কি অর্গাজমের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে?

: এক্ষেত্রে কখনোই অতিরিক্ত উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে না যাওয়াই ভাল।

২২) পার্টনারের সঙ্গে অরগাজম উপভোগ করতে পারছি না। এটা কি কোন সমস্যা?

: না, এটা কোন সমস্যা না।

২৩) যদি পার্টনার এবং নিজে একই ধরনের যৌন রোগে আক্রান্ত হয় এক্ষেত্রে কি কনডম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক?

:না, এক্ষেত্রে দু’জনের একই চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে। এন্টিবায়োটিক বেশি ফল দিবে।

২৪) সেক্সের ক্ষেত্রে পুরুষের লং লাস্টিং কীভাবে সম্ভব?

: বেশির ভাগ সময়ই পার্টনারকে সুইস অবস্থায় রাখতে হবে। এতে করে লং লাস্টিং সম্ভব হবে।

২৫) সেক্সে পরিপূর্ণ তৃপ্তির জন্যর জন্য কোন ধরনের খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে কি?

: রসুন এবং এসপারাগাস এবং বেশি করে আনারস খেতে পারেন।

২৬) স্পর্শ করা আগেই কি পরিপক্ক ব্যক্তি তার পার্টনারের সেক্সচুয়াল সক্ষমতা জানতে পারে?

: নিশ্চয়ই সেক্সকে জুয়া খেলা কিংবা প্রজাপতির মত নয়।

২৭) সুইস অবস্থায় পার্টনার অমনোযোগী হওয়াটা কি কোন ভুল?

: না, তবে তাকে এ অবস্থায় থাকার জন্য পুরুষকে সহযোগিতা করা উচিত।

২৮) নারীরা কি সেক্সের সময় নিপলকেও সমানে সমানে চালাতে পছন্দ করে।

: কেউ কেউ করতে চায়, আবার ব্যতিক্রমও আছে। এক্ষেত্রে পার্টনারকে মূল্যায়ন করুন।

২৯) একই সময়ে একজন নারীর কতবার অরগাজম হতে পারে?

: এটা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না, তবে নিজের অবস্থার রেকর্ড করলে হয়ত জানা যাবে।

৩০) নারীর অরগাজম যদি দ্রুত হয় তবে নারী এবং পুরুষের অরগাজম কি একই সময়ে ঘটানো সম্ভব?

: নিজের বিরতির সময়ই আরগাজম নিজ গতিতে চলতে থাকে। তাই প্রথম বার না হলেও ২য় বার চেষ্টা করা যেতে পারে।

৩১) অ্যানল করার চেষ্টা করার সময় ভয় হয়, কোন আঘাত লাগে কি না, এটাকে আনন্দদায়ক করার জন্য কি করা যেতে পারে?

: প্রথমত পরিপূর্ণ লুব ব্যবহার করুণ এবং আঙ্গুল দিয়ে প্রথমে পরীক্ষা করুন তারপর ধীরে ধীরে প্রবেশ করান।

৩২) কি করলে খুব সহজে যৌন কামনা সৃষ্টি করা যায়?

: মনে মনে সেক্সি ভাবনায় তা অনেক সহজ হয়।

৩৩) যদি দীর্ঘ সময় যাবত ভায়াগ্রা ব্যবহার করা হয় তবে তা কি কোন সমস্যার সৃষ্টি করবে?

: এটা এখনো জানা সম্ভব হয়নি, তবে দীর্ঘ দিন ব্যবহার করলে শারীরিকভাবে এর প্রতি নির্ভরশীল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

৩৪) কোন সিরিয়াল কিসারের সাথে ডেটিং করলে কি বুঝতে হবে তার চুষার অভ্যাস খুব বেশি?

: হতেও পারে।

৩৫) আমি কিভাবে পার্টনারকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় ভাবে পেতে পারি?

: পার্টনারকে একাজে প্রলুব্ধ করতে হবে, তার শরীরে আলতোভাবে স্পর্শ করা যেতে পারে, যা অনেক বেশি আকর্ষণ করবে।

৩৬) সেক্স করার পর কেন পার্টনার অনেক বেশি দূরে চলে যায়?

: তখন ঐসব চিন্তা তার মাথায় না থাকায় দূরে সরতে চায়।

৩৭) মিলিত হওয়ার পর কি মুখের স্পর্শ প্রয়োজন হয়?

: না, এটা শুধু মিলিত হওয়ার আগেই স্পর্শকাতর স্থানে করা যেতে পারে।

৩৮) একজনের পক্ষে কি অনেক বেশি মাস্টারবেশন করা সম্ভব?

: এটা নিজের মনোযোগের ব্যাপার।

৩৯) ইজিকুলেট ছাড়াই কি অরগাজম হতে পারে?

: হ্যাঁ

৪০) সেক্সের সময় কিভাবে পিউবোকক্কিজিয়াস মাসেল ব্যবহার করা যায়?

: মিলনরত অবস্থায় নমনীয় হতে হবে এবং প্রকাশ করতে হবে। বিভিন্ন ভাবেই এটা করা যেতে পারে।

৪১) সেক্সের সময় এমন কিছু কি আছে যা অধিক আর্দ্র করে?

: না

৪২) কখন দ্রুত ইজিকুলেট হয়?

: যদি অধিক সময় আশা না করে বা মিলনের সময় বাজে চিন্তা করে।

৪৩) আপনি হয়ত নিয়ম মানেন কিন্তু করলেন ভিন্ন যেমন ছাত্রী শিক্ষক প্রেমের সম্পর্ক, এছাড়াও বেডরুমে ফেন্টাসি আর কি হতে পারে?

: চোর – পুলিশ, ব্রেড – অ্যানজেলিনা।

৪৪) সেক্সের সময় প্রস্রাব বোধ হয় কেন?

: কারণ মুত্রথলির কাছাকছি যৌনাঙ্গ চলে আসে। এটা সত্যিকার অর্থেই হতে পারে।

৪৫) নারীদের কি সেক্সচ্যুয়াল সক্ষমতা বেশি?

: এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

৪৬) জঠর নিয়ে সচেতন কিন্তু ঢেকে রাখতে না চাইলে সেক্সের সময় কি করা উচিত?

: এটাকে ডগিং স্টাইলে করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।

৪৭) স্পাঙ্ক করতে চান, কিভাবে পার্টনারকে বুঝাবেন?

: প্রথমেই স্পাঙ্ক করুন।

৪৮) ভাইব্রেটর ইউস করলে কি উত্তেজনা কমে?

: সাময়িকভাবে এটা হতে পারে।

৪৯) হ্যান্ড জব করার সময় কিভাবে উত্তেজনা ধরে রাখা যায়?

: চিন্তা করুন কি ধরনের শক্ত জিনিস ব্যবহার করে করতে সক্ষম হবেন।

৫০) সেক্সের পরের ব্যথা হলে কি করতে হবে?

: ভালো লুব ব্যবহার করা যেতে পারে, আঘাত পেলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।

৫১) সেক্স টয় কিভাবে পরিস্কার করতে হয়?

: গরম পানিতে মিল্ড সাবান দিয়ে ধুতে হবে।

৫২) কনডম লাগানো উত্তম পদ্ধতি কি?

: মুখ এবং হাতের স্পর্শে মাথা থেকে লাগাতে হয়।

৫৩) পুরুষাঙ্গ যদি ছোট হয় তবে কিভাবে তা বড় অনুভব সম্বব?

: ডগি স্টাইল সেক্স।

৫৪) দীর্ঘপুচ্ছ না হলে কি করা উচিত?

: হাতের কাছে সব সময় টিস্যু রাখতে হবে এবং আলতোভাবে মুখে ঘষতে হবে।

৫৫) পার্টনারকে না জানিয়েও কিভাবে তার যৌন সমস্যা (এসটিডি) পরীক্ষা করা যায়?

: পার্টনারকে আদর করার সময় সতর্কতার সাথে তা পরীক্ষা যেতে পারে।

৫৬) পিছন থেকে চাইলে কিভাবে করতে হবে?

: হাত দিয়ে আলতো ভাবে ঘষতে হবে তারপর আস্তে আস্তে প্রবেশ করা যাবে।

৫৭) বিশেষ মূহুর্তে যদি কনডম ছিদ্র হয়ে যায় তবে কি করা উচিত?

: যদি পিল নেয়া অবস্থায় না থাকে তবে এসটিডি টেষ্ট করা দরকার।

৫৮) কনডম না ফুঁটা হওয়ার কোন নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে কি?

: না, নিজের প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব।

৫৯) গরম টিউবে করা কি উচিত হবে?

: না

৬০) প্রিয়জনকে বন্ধনে রাখার জন্য কি করা যেতে পারে?

: নিজের অতি নিকটে প্রিয়জনকে রাখা এবং নিজের প্রতি তাকে নির্ভরশীল করে নিতে হবে।

৬১) পার্টনারকে সেক্সের আগে পরিস্কার হয়ে আসার কথা বলা উচিত?

: না, তবে সেপ্টির জন্য তাকে বলতে পারেন।

৬২) সেক্সের সময় গর্ভাশয়ের সংকীর্ণ অংশে আঘাতে সন্তান মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, এ অবস্থায় কি করা উচিত?

: এঅবস্থায় সতর্কতার সাথে আলতোভাবে প্রবেশ করানো উচিত।

৬৩) ক্লিটোরাল উত্তেজনায় উত্তম পদ্ধতি কি?

: পুরুষ উপরে থাকলে ভাল।

৬৪) সিএটি পজিশন বলতে কি বুঝায়?

: কইটাল ইলিগমেন্ট পদ্ধতি।

৬৫) মরনিং উড মানে কি সকালে সেক্স বুঝায়?

: না, তবে ঐসময় সে খুশি থাকে।

৬৬) সহবাস না করেও ফেন্টাসি আছে এটা কিভাবে বলা উচিত?

: পার্টনারকে বলুন আপনার একটা যৌন স্বপ্ন আছে, সে শুনতে চায় কিনা জিজ্ঞাস করাই উত্তম।

৬৭) বেশি বেশি মিলিত হওয়ার ইচ্ছে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়?

: এক্ষেত্রে পার্টনারের ফিটনেস এবং ইচ্ছেটা তৈরি করা জরুরি।

৬৮) মিলিত হওয়ার সময় কাতুকুতু লাগলে কি করা উচিত?

: পেশিকে আরামে রাখতে হবে। যা করছেন তার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিন।

৬৯) পুরুষ ও নারীর অরগাজমের অমিল কেন?

: কারণ পুরুষ ব্যাটারির পাওয়ারে চলেন না।

৭০) পিরিয়ডের সময় পরিচ্ছন্ন সেক্স কীভাবে করা যায়?

: ঝরনার নিচে কিংবা নিজের নিচে তোয়ালে দিয়ে।

৭১) ৬৯ পদ্ধতির জন্য ভাল পদ্ধতি কি?

: নিজে উপরে থাকা অথবা সাইড বাই সাইড।

৭২) পাবলিক স্থানে কিন্তু অধিক পাবলিক স্থানে নয় এমন জায়গা কি হতে পারে?

: শান্ত রাস্তার পাশে প্রাইভেট কারে করা যেতে পারে।

৭৩) পার্টনার ড্রিংক করা অবস্থায় যৌনতা ভুলে যায়, কি করা উচিত?

: বেশি পরিমাণ ড্রিংক বন্ধ করতে হবে।

৭৪) মাত্রাতিরিক্ত সেক্স করা কি সম্ভব?

: না

৭৫) শরীরের কোন কোন অঙ্গ অজানা যৌন উত্তেজক?

: মাথার ত্বক এবং নাসারন্ধ্র।

৭৬) উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য কত ?

: ৫.৫ থেকে ৬.২ ইঞ্চি

৭৭) প্রিয়জন নিজের থেকে প্রায় ১ ফুট লম্বা এবং বেডরুমে সব সময় লাইনআপ করা যায় না । ভাল পজিশন কি হতে পারে?

: পা ফাঁক করে ভাল পজিশন তৈরি করা যেতে পারে।

৭৮) পুরুষের এসটিডি টেস্ট করার ভাল পদ্ধতি কি হতে পারে?

: দুজনে একসাথে এসটিডি করা।

৭৯) ওরাল করার পর বিরতিতে কি করা উচিত?

: নিজের হাত চাটা এবং তার উরু এবং পেটে কিস করা যেতে পারে।

৮০) অপ্রকাশিত অনলাইন সেক্স কি চ্যাটিং হিসাবে গণ্য হবে?

: যদি সে না প্রকাশ করে তবে তার জন্য হ্যাঁ হবে।

৮১) সেক্সের সময় যদি অরগাজম না হয় তার মানে কি বুঝতে হবে?

: সে মনকষ্টে ভুগতে পারে। তাই তার মনকষ্ট লাগবে তার সাথে কথা বলা উচিত।

৮২) প্রিয়জনের সাথে যৌন দৃশ্যের ভিডিওতে অংশ নেয়ার সময় কি মনে রাখা উচিত?

: ওয়াইড শর্ট এবং শর্ট লাইটিং ব্যবহার করা দরকার।

৮৩) কনডম সাইজ কি আসলেই একটা বড় ব্যাপার?

: বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সকল পুরুষের জন্য কনডম সাইজ একই হয়, তবে কমফোর্ট ফিল করার জন্য বড় সাইজ ব্যবহার করা যেতে পারে।

৮৪) সেক্স করার পর পুরুষের ঝাকুনি মারার কারণ কি?

: এটা অরগাজমের কারণে হয়।

৮৫) ফিমেল কনডম এবং মেল কনডম কি একই ভাবে নিরাপদ?

: এসব অপেক্ষাকৃত কম ইফেকটিভ এবং অনেক বেশি ঝুকিপূর্ণ।

৮৬) কনডমের সেপটি না জেনে ব্যবহার করা উচিত হবে কিনা ?

: ইনফেকশন তৈরী করতে পারে এবং সেই সাথে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৮৭) পার্টনারের পুরুষাঙ্গ অনেক বড় এরকম অনুভব করা কি কল্পনা ?

: হতে পারে।

৮৮) দুজনেই সেক্স টয় ব্যবহার করে কি পার্টনারকে আরাম দেয়া যায়?

: পার্টনারের উপর নির্ভর করবে।

৮৯) মাঝে মাঝে সেক্সের সময় কুইফ হতে হয়। শুরুতে করা কি উত্তম?

: এক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক হওয়া উচিত।

৯০) মেয়েদের গোপন অঙ্গের সাইজটা কোন ফ্যাক্ট কিনা?

: টাইটনেসে কিছু ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে এটা কোন ফ্যাক্ট না।

৯১) খৎনা না করা পুরুষাঙ্গ কিভাবে পরিচালনা করতে হয়?

: কেউ কেউ বিষয়টিকে অনেক বেশি সেনসেটিভ ভাবে ।

৯২) হ্যান্ড জবে পূর্ব অভিজ্ঞরা কি মাঝে মাঝে তা করে?

: হ্যাঁ

৯৩) কনডম ব্যবহার সত্ত্বেও নিজেকে নিরাপদ মনে হয়না। পার্টনারকে এটা কিভাবে বোঝাতে হবে?

: পার্টনারের চরম যৌন উত্তেজনা না আসার আগেই তাকে বলতে হবে।

৯৪) পুরুষাঙ্গ কি ভাঙ্গতে পারে?

: এটা মেরুদন্ডের মত ভাঙ্গবে না তবে আঘাতের ফলে থেতলে যেতে পারে। মেডিক্যাল চিকিৎসায় সমাধান সম্ভব।

৯৫) একই সাথে একাধিক নারীর সাথে ঘুমানো অস্বাস্থ্যকর কিনা?

: যদি দুজনের সাথে সেফ সেক্স করা হয় তবে অস্বাস্থ্যকর নয়।

৯৬) অনেকের মতে কনডম উত্তেজনা কমিয়ে দেয় কি করা উচিত?

: অনেক বেশি পাতলা কনডম ব্যবহার করলে সমাধান পাওয়া যাবে।

৯৭) বেশির ভাগ লুব বিরক্তিকর। প্রাকৃতিক কোন ভিন্ন পদ্ধতি আছে কিনা?

: কৃত্রিমতামুক্ত ফায়ার ফ্লাই এবং সিল্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।

৯৮) ওরাল সেক্সের পর যদি কিস করতে না চায় তবে কি করা উচিত?

: তার বুক থেকে নিচ পর্যন্ত কিস করা যেতে পারে।

৯৯) সেক্সের সময় কি পরিমাণ ক্যালোরি ক্ষয় হয়?

১২০ পাউন্ড ওজনের একজন মহিলা প্রতি ৩০ মিনিটে ১১৫ ক্যালরি ক্ষয় করে।

১০০) বেশির ভাগ পুরুষ নারীর মাষ্টারবেশন অথবা অশ্লীল দেখতে চায় কি না?

: হ্যাঁ।

শনিবার, ৫ মার্চ, ২০১১

হস্তমৈথুন

হস্তমৈথুন, আত্মমৈথুন, স্বমেহন বা স্বকাম একটি যৌনক্রিয়া যাতে একজন ব্যক্তি নিজের যৌনাঙ্গ বা অন্যান্য কামোদ্দীপক অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে হাত বা অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা বস্তু দ্বারা আলোড়ন করে কামোদ্দীপ্ত হওয়া বা বিশেষ করে রাগমোচনে (orgasm, অর্থাৎ কামোদ্দীপনার চরম পর্যায়) পৌছানোকে বোঝায়। মানুষ ছাড়াও নানা বন্য ও গৃহপালিত পশু হস্তমৈথুন করে থাকে। হস্তমৈথুন মূলত স্বকাম ; তবে এতে মানুষ স্বীয় হাত-আঙ্গুলি ছাড়াও যৌনখেলনা যেমন কৃত্রিম যোনি বা কৃত্রিম শিশ্ন ব্যবহার করে থাকে। কৌশল হস্তমৈথুনের মূল কৌশল উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই একই রকম, আর তা হচ্ছে যৌনাঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা নাড়াচাড়া ও ঘর্ষণ করা। এটি আঙুল দ্বারা বা কোনো কিছুর মাধ্যমেও (যেমন: বালিশ) হতে পারে। পায়ুপথে আঙুল প্রবেশ করানোর মাধ্যমে ঘর্ষণ সৃষ্টি করার মাধ্যমেও হস্তমৈথুন হতে পারে, যা পায়ু মৈথুন নামে পরিচিত। এছাড়া বৈদ্যুতিক কম্পক বা ভাইব্রেটরের (Vibrator) মাধ্যমেও ভালভা বা শিশ্নকে উত্তেজিত করে তোলা যায়। এটি একই সাথে যোনি ও পায়ু পথেও প্রবেশ করানো যায়। সমঝোতামূলক বা পারস্পরিক হস্তমৈথুনের ক্ষেত্রে উভয় লিঙ্গের সদস্যরা তাদের পরস্পরের স্তনবৃন্ত বা অন্যান্য কামোত্তেজক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে স্পর্শ করাকেও উপভোগ্য মনে করতে পারেন। হস্তমৈথুনকে উপভোগ্য করে তোলার জন্য বাড়তি লুব্রিকেটিং (ঘর্ষণ তাপরোধী এক প্রকার তৈলাক্ত পদার্থ) পদার্থও ব্যবহার করার চলও রয়েছে। পুরুষের হস্তমৈথুন পুরুষের হস্তমৈথুন সচরাচর স্বীয় শিশ্ন হাতের মুঠিতে আঁকড়ে ধরে ওপর-নিচ ওঠানামা করে পুরুষ মানুষ হস্তমৈথুন করে থাকে। এর ফলে এক পর্যায়ে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌছেঁ এবং বীর্যপাত হয়ে রাগমোচন অর্থাৎ চরমানন্দ লাভ হয়। নারীর হস্তমৈথুন নারীর হস্তমৈথুন নারীর হস্তমৈথুনের কৌশলের মধ্যে রয়েছে ভালভা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ঘর্ষণ করা, বিশেষ করে ভগাঙ্কুরে। এই ঘর্ষণ হতে পারে তার অনামিকা বা মধ্যমা আঙুলের দ্বারা। কিছুক্ষেত্রে জি-স্পটে ঘর্ষণ সৃষ্টির জন্য যোনিপথে এক বা একাধিক আঙুল প্রবেশ করানো হয়। হস্তমৈথুনের সময় যোনি ও ভগাঙ্কুরকে উত্তেজিত করে তুলতে বিভিন্ন কৃত্রিম বস্তুর সাহায্য নেওয়া হতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে ভাইব্রেটর বা কম্পক, ডিলডো বা কৃত্রিম শিশ্ন, বা বেন ওয়া বল। অনেক নারী হস্তমৈথুনের সময় অপর হাতের দ্বারা নিজেদের স্তন ও স্তনবৃন্তে হাত বুলাতে পছন্দ করেন। কারণ এটি যৌন উত্তেজক অঙ্গ ও উত্তেজনা সৃষ্টিতে এর ভূমিকার রয়েছে। আবার কেউ কেউ পায়ু উত্তেজনাও উপভোগ করেন। হস্তমৈথুনের জন্য যোনিপথ পিচ্ছিল করতে অনেকে বাড়তি লুব্রিকেটিং বা তৈলাক্ত পদার্থ ব্যবহার করেন, বিশেষ করে যখন কোনো কিছু প্রবেশ করানো প্রয়োজন হয়। কিন্তু এটির ব্যবহার সকল স্থানে প্রচলিত নয়। অনেক নারী তাঁদের নিজেদের প্রাকৃতিক লুব্রিকেশনকেই যথেষ্ট বলে মনে করেন। নারীরা প্রধানত যোনি অভ্যন্তরস্থ ভগাঙ্কুর আঙ্গুলের সাহায্যে নাড়াচাড়া করে কামোত্তেজনা প্রশমিত করে থাকে। তবে এতে পুরুষের বীর্যপাতের ন্যায় কোনও চরম ঘটনা ঘটে না। নারী হস্তমৈথুনের জন্য পোড়ামাটির লিঙ্গ ব্যবহার করে বলে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। পারস্পরিক হস্তমৈথুন দুজন পুরুষ একে অন্যের লিঙ্গ নাড়াচাড়া করে বীর্যপাত করিয়ে দিলে একে বলা হয় পারস্পরিক হস্তমৈথুন। তেমনি দুজন নারী পরস্পরের যোনিতে হাত তথা অঙ্গুলি চালনা করে রাগমোচন করলে তাও হবে পারস্পরিক হস্তমৈথুন। পারস্পরিক হস্তমৈথুনে যেহেতু দুজন মানুষের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া হয়ে থাকে তাই একে আর স্বকাম বা আত্মকাম বলা চলে না। হার, বয়স, ও লিঙ্গ হস্তমৈথুনের হার বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। কারো যৌন ইচ্ছা বা হরমোনের মাত্রা তা যৌন উত্তেজনা, যৌন অভ্যাস, স্বাস্থ্য এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করে। ই. হাইবি এবং জে. বেকার পরীক্ষা করে দেখেছেন যে কোনো স্থানের সংস্কৃতিও হস্তমৈথুনের হারকে প্রভাবিত করে।এছাড়াও হস্তমৈথুনের সাথে কিছু চিকিৎসীয় কারণও জড়িত মানুষের মধ্যে হস্তমৈথুনের হার নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন রকমের জরিপ ও গবেষণা হয়েছে। আলফ্রেড কিনসের ১৯৫০-এর দশকের এক গবেষণায় বলা যায়, মার্কিন নাগরিকদের মাঝে ৯২% পুরুষ ও ৬২% নারী তাঁদের জীবনকালে অন্তত একবার হস্তমৈথুন করেছেন।[৮] ২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যের মানুষের মাঝে করার একটি জরিপেও কাছাকাছি ফলাফল পাওয়া যায়। জরিপে দেখা যায় ১৬ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে ৯৫% পুরুষ ও ৭১% নারী তাঁদের জীবনের যে-কোনো সময়ে অন্তত একবার হস্তমৈথুন করেছেন। সাক্ষাৎকারের চার সপ্তাহ আগে হস্তমৈথুন করেছেন এমন পুরুষের হার ৭১% ও নারী ৩৭%। অপর দিকে ৫৩% পুরুষ ও ১৮% নারী জানিয়েছেন যে, তাঁরা এই সাক্ষাৎকারের ১ সপ্তাহ আগে হস্তমৈথুন করেছেন। ২০০৯ সালে নেদারল্যান্ড ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সাথে যুক্তরাজ্যেও বয়সন্ধি কালীন ছেলে-মেয়েদের কমপক্ষে প্রতিদিন হস্তমৈথুন করার জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়। অর্গাজম বা রাগমোচনকে শরীরের জন্য উপকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে শিশু গর্ভবতীর ও যৌন সংক্রামক রোগের হারের প্রাপ্ত উপাত্ত লক্ষ্য করে, তা কমিয়ে আনতে এই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়, এবং এটিকে একটি ভালো অভ্যাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বিতর্ক হস্তমৈথুন একটি স্বাভাবিক যৌনকর্ম অথবা যৌনবিকৃতি কিনা এই বিষয়ে দীর্ঘকাল থেকে বিতর্ক আছে। বিভিন্ন ধর্মে হস্তমৈথুন একটি নিষিদ্ধ যৌনকর্ম, কিন্তু অনেক বৈজ্ঞানিক এটিকে মানুষের স্বভাবী যৌনক্রিয়া হিসেবে গণ্য করেছেন। মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর হস্তমৈথুন কুফল কি, তা নিয়েও বিতর্ক চলমান। বিবাহিত ব্যক্তিরা কেন হস্তমৈথুন করে সে প্রশ্নটি নিয়েও গবেষণা চলছে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, হস্তমৈথুন অনেকের জন্য একটি অনিবার্য অভ্যাসে (obsessive compulsive behavior) পরিণত হয়। ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে হস্তমৈথুন বিশ্বজুড়ে প্রাকঐতিহাসিক যুগের বহু শিলাচিত্রে পুরুষের হস্তমৈথুন করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ থেকে ধারণা করার হয়, অপ্রাকৃতিক যৌন আচরণের সাথে মানুষের পরিচয় প্রাচীন যুগ থেকেই। মাল্টা দ্বীপের এক মন্দির সংলগ্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত, খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় চতুর্থ শতকে নির্মিত একটি মাটির ভাস্কর্যে একজন নারীর হস্তমৈথুরত সময়ের চিত্রও পাওয়া গেছে।[১১] তদুপরি, প্রাচীন যুগে মূলত পুরুষের হস্তমৈথুনের প্রমাণই বেশি পাওয়া যায়। তাই ধারণা করা হয় সে সময় এটিই বেশি প্রচলিত ছিলো। প্রাচীন ইতিহাস থেকে জানা যায়, প্রাচীন সুমেরীয়দের যৌনতার বিষয়ে শিথিল ধ্যানধারণা পোষণ করতো, এবং হস্তমৈথুন সেখানে সক্ষমতা তৈরির একটি উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এটি একাকী বা সঙ্গীর সাথে উভয়ভাবেই সম্পন্ন হতো। প্রাচীন মিশরে পুরুষের হস্তমৈথুন আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হতো। যখন কোনো দেবতার দ্বারা হস্তমৈথুন সংঘটিত হতো, তখন তা অনেক বেশি সৃষ্টিশীল ও জাদুকরী কাজ হিসেবে বিবেচিত হতো। বিশ্বাস করা হতো মিশরীয় দেবতা আতুম হস্তমৈথুনের মাধ্যমে হওয়া বীর্যপাতের দ্বারা এই বিশ্বজগত সৃস্টি করেছেন, এবং সেই সাথে নীল নদের পানি প্রবাহও তার বীর্যপাতের হার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এর সূত্র ধরেই মিশরীয় ফারাওদেরও আনুষ্ঠানিকভাবে নীল নদে হস্তমৈথুন করতে হতো।

বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ, ২০১১

(নারী) পুরুষের যৌণ সমস্যা নাকি আমাদের শিক্ষার সমস্যা ?

শুরু করি একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে ।




আমার ধারণা ছিলো , ডাক্তার হিসেবে আমি খুব একটা খারাপ বুঝাই না। তো একজন অনুজ , নতুন বন্ধু আমার ডাক্তার পরিচয় পাওয়ার পরে একদিন সন্ধ্যায় ইচ্ছে করে আমার সাথে বাড়ি ফিরতে চাইলেন। তার বাড়ির রাস্তা ভিন্ন দিকে আর আমিও রোগী দেখে দেখে ততদিনে বুঝতে পারি অনেক কিছুই। বুঝলাম , একটু আড়ালে কিছু আলোচনা করতে চান। আন্দাজে ভুল হয়নি। অতি সংক্ষেপে তিনি আমাকে জানালেন তার প্রেমিকার সাথে তার প্রথম যৌণ অভিজ্ঞতায় তার অতি দ্রুত স্খলনের ( প্রি ম্যাচিউর ইজাকুলেশন) সমস্যার কথা। ঘটনাটা তাকে এতটাই বিপর্যস্ত করেছে, তিনি একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ওষুধ নিয়েছেন। আরো অনেকের সাথে কথা বলে পথ্য সংগ্রহ করেছেন । এখন তিনি আমার কাছে সেই সব ওষুধের / ব্যবস্থাপত্রের ভালো মন্দ যাচাই করতে চান। আমি হতভম্ব !

প্রথমত , আমার ডাক্তারি বিদ্যা যৌণ সমস্যা লাইনের নয় । তাই বুঝলাম বাংলাদেশের মানুষ ডাক্তার শ্রেণীটার উপরে কতটা হতাশ ও আস্থাহীন হলে কেউ বিশ্বাসযোগ্য যে কোন মানুষ খোঁজে!

দ্বিতীয়ত, এই ছেলেটি যথেষ্ট শিক্ষিত, মুক্তমনা ও যৌক্তিক চিন্তার অধিকারী । সুতরাং , ইউনানী, কবিরাজি , তুক্তাক বিদ্যার উপরে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।

তৃতীয়ত, তার কাছ থেকে ওষুধের লিস্ট দেখার পরে বুঝলাম, তার এই " শিক্ষা" ও "যুক্তি" তার কোন কাজেই আসে নাই । কারণ , কবিরাজি তুকতাক এড়াতে পারলেও এই তরুণ বৈজ্ঞানিক বা এলোপ্যাথির তুকতাক এড়াতে পারেন নাই।



মানে কি?



তার লিস্ট জুড়ে কেবল ভিটামিন আর ভিটামিনের নাম। একই ভিটামিন ভিন্ন ভিন্ন নামে। একই ধরনের মাল্টিভিটামিন ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির । তার ধারণা , উনি ১১ টি ভিন্ন অষুধের নাম লিখে এনেছেন । ( যে যা বলেছে , তার সব গুলাই । এবং যৌণ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রেসক্রিপ্শন শুদ্ধ )

এরপর , আমি তাকে যতই বুঝাই , যত ভাবেই বুঝাই , এগুলো কোন রোগের ওষুধ না । কিংবা , তার কোন রকম রোগ নাই। কিংবা , দ্রুত স্খলন বা প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন কোন যৌণ রোগ না - উনি কিছুতেই কিছু বুঝে না । কোন রকম গঠনগত (এনাটমিকাল) কিংবা কার্যকারিক (ফিজিওলজিকাল) কোন রকম রোগ বা সমস্যা যদি থেকেও থাকে , সেইটা ভিটামিন দিয়ে সারবে না - এইটাও তার মাথায় ঢুকাইতে পারলাম না ।

তার মাথায় গেঁথে গেছে , উনি যৌন ভাবে দুর্বল । আর আমি ভাবছি - ভিটামিনও একটা ওষুধ । এক সাথে এক গাদা খেলে ভিটামিনোসিস নামক বিষক্রিয়াতে না আক্রান্ত হয়!



শেষে কি হলো?



কিছুদিন পরে উনি জানালেন , ভিটামিন গুলো খাওয়াতে তার অনেক উপকার হয়েছে । তিনি এখন তার কাজে আগের চেয়ে ভালো মান দেখাতে পারছেন । আমি একই সাথে স্বস্তি আর হতাশার একটা কাষ্ঠ হাসি দিলাম। স্বস্তি , কারণ আমাদের নকল ও ভেজাল ভিটামিন কোম্পানির ( ছোট খাট কোম্পানি না শুধু , বড় বড় কোম্পানিও আটা চিনির গুড়া ক্যাপ্সুলে ভরে ভিটামিন হিসেবে বিক্রি করে) বদৌলতে বেচারা ভিটামিনোসিস এর হাত থেকে বেঁচে গেছে । আর হতাশা এই জন্য যে, এই ছেলেটি আরো হাজার হাজার বাংলাদেশী তরুণের মত হলফ করে বলবে,

১। আমার মত দুইপাতা ডাক্তারি পড়া ডাক্তাররা কিচ্ছু জানে না। যৌণ দুর্বলতা একটা ভয়ংকর রোগ।

২। মাত্র ১১ প্রকারের ( আসলে একই ) ভিটামিন , মাল্টিভিটামিন খেলেই এই রোগ থেকে ভালো হওয়া যায়।

৩। উপরের দুইটা কথার প্রমাণ উনি নিজে।



তাহলে সমস্যাটা কোথায় ?



আসুন , আমরা একটু বুঝার চেষ্টা করি ঘটনাটা আসলে কি ঘটেছে। ছেলেটির সমস্যা ছিলো অতিদ্রুত স্খলন। এর সরাসরি ফলাফল যেইটা হয় , পুরুষ বা নারীর যৌণ তৃপ্তি বা ক্লাইমেক্স / অর্গাজম এ পৌছানোর আগেই সঙ্গম শেষ হয়ে যাওয়া । ব্যাপারটা অনেকটা প্রচন্ড ক্ষুধার মুখে দুই লোকমা খাওয়ার পরে প্লেট কেড়ে নেওয়ার মতন। বিস্তারিত আর বললাম না ।



কেন ঘটে এই রকম? যাদের সত্যি সত্যি কোন রকম ইনফেকশন ( যৌণ রোগ), এনাটমিক বা যৌণাঙ্গের গঠনগত সমস্যা আছে কিংবা ফিজিওলজিকাল বা কার্যকারিতার দিক থেকে কোন সমস্যা আছে - তারা ছাড়া বাকি সবার জীবনেই এইটা ঘটতে পারে মানসিক কারণে ।

প্রথমত, জীবনে প্রথম যৌণ সঙ্গম করতে গেলে ১ম কিছুদিন অতিরিক্ত উত্তেজনার কারণে অতিদ্রুত স্খলন ঘটতে পারে। নিজের উত্তেজনাকে মানসিক ও শারীরীক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে না পারাটাই কারণ ।

দ্বিতীয়ত , সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণে কোন রকম অপরাধবোধে ভুগলে ।

তৃতীয়ত , কোন কারণে যথেষ্ট সময় না থাকলে তাড়াহুড়া ও টেনশনে ।

চতুর্থত , আত্মবিশ্বাসের অভাব থেকে অতিরিক্ত টেনশনে ।

পঞ্চমত , সঙ্গিনীর সাথে কোন কারণে যথেষ্ট স্বস্তি বা কম্ফোর্ট লেভেল না থাকলে ।



এখন কথা হলো , এর জন্য ওষুধ বা ভিটামিন খাওয়া কত জরুরী?



যাদের কোন কারণে যৌণ রোগ বা ইনফেকশন আছে কেবল তাদের জন্যই ঔষুধ প্রয়োজন হতে পারে। জীবনের ১ম যৌণ অভিজ্ঞতায় কোন রোগ কারণ না হওয়ারই কথা । রইলো বাকি এনাটমিকাল ও ফিজিওলজিকাল কোন সমস্যা । এইটা প্রকৃতিতে খুবই রেয়ার। ডাক্তারের পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে এইটা বের হয়ে আসবে। কিন্তু উল্লেখিত তরুণের এই ধরনের কোন সমস্যা ধরা পড়ে নাই।



আর মানসিক সমস্যার জন্য ভিটামিন? বুঝতেই পারছেন, এইটা ঠিক খাপ খায় না । তারপরেও মাঝে মাঝে নাছোড়বান্দা রোগী হইলে কিছু ডাক্তার রোগীর মন রক্ষা করতে গিয়ে ভিটামিন, স্যালাইন - এইসব বেকার জিনিস পত্র প্রেস্ক্রাইব করেন। তাহলে ছেলেটি উপকার পেলো কি করে?



এখানে আমাদের আসলে তার সমস্যার মূলে পৌছাতে হবে। আমি যা বুঝেছিলাম, উনি তার প্রেমিকাকে তৃপ্ত করতে পারবেন কি পারবেন না সেই অতিরিক্ত টেনশন, সাথে ১ম বারের অতিরিক্ত উত্তেজনা = এর ফলে সমস্যায় পড়েছিলেন। ভিটামিন খাওয়ার পরে তার ভিতরে বিশ্বাস চলে আসে যে উনার সমস্যা মিটে গেছে । উনি এখন যৌন ভাবে সবল । এই ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাস ও কমফোর্ট লেভেল তাকে যে রিল্যাক্সসেশন বা আরাম দিয়েছে - তাতেই উনি পরের বার গুলোতে ভালো পারফর্ম করতে পেরেছেন।



এখন , ঝড়ে বক পড়লো আর তাতে ফকিরের / ভিটামিনের কেরামতি বেড়ে গেলো।



এই রকম কেরামতি কেন দরকার হয়? মূল সমস্যা কি? সমাধান কি?



একজন ডাক্তার হয়েও সেই তরুণকে বুঝাতে ব্যর্থ হওয়ার পরে আমি এইটা নিয়ে অনেক ভেবেছি। কেন উনি বুঝতে চাইলেন না একেবারেই? এবং ভেবে ভেবে , তার সাথে এর উপরে পড়ালেখা করে আমি যা বের করেছি তা হলো , মানুষের বিশ্বাসের সাথে তথ্যের লড়াইয়ে বিশ্বাসের জয় হবেই। এই তরুণের বয়ঃসন্ধির সময় থেকেই কোন যৌণ শিক্ষা নেই । তার শেখার সূত্র ছিলো হয়ত আদিরসাত্মক সাহিত্য , নীল ছবি কিংবা নিদেন পক্ষে বড় ভাইদের অভিজ্ঞতা । এর কোনটাই সঠিক শিক্ষা দেয় না , দিতে পারে না । বরং এসব থেকে মানুষ বেশির ভাগ সময়েই ভয়াবহ ভুল শেখে । আবার এই সব সূত্র গুলো কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা সমস্যা আর কোনটা রোগ- তাও শিক্ষা দেয় না । যারা এই সব নোংরা পথে কিছু শিখতে পছন্দ করেন না , তাদের জন্য কি কোন ভিন্ন পরিষ্কার পথ খোলা আছে? সার্বিক ভাবে - নাহ। যারা সেই রকম উচ্চ শিক্ষিত এবং ইন্টারনেট এ সংযুক্ত , তারা কিছুটা ভালো অবস্থানে আছেন। ইন্টারনেট থেকেই শিখতে পারেন কিন্তু সেই ওয়েবসাইট গুলো কি নির্ভরযোগ্য?



এইখানে, আবার একটা মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। অনেক দিন পর্যন্ত ইংরেজি ছবির নায়ক-নায়িকাদের দেখে দেখে আমার ধারণা ছিলো পশ্চিমা পুরুষ এর বুকে ও নারীদের হাতে পায়ে কোন লোম থাকে না । বড় হয়ে সেই কুশিক্ষা আমার দূর হয়েছে মেডিকেলে পড়তে গিয়ে। সুতরাং, দেখুন, এমন কি ছবিও কি ধরনের ভুল শিক্ষা দেয় মানুষকে !





আমাদের দেশের তরুণ তরুণিদের তাই মূল সমস্যা হলো একটা ভালো, ভদ্র , পদ্ধতিগত ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষা বা জ্ঞানের মাধ্যম - যা থেকে মানুষ সঠিক শিক্ষাটা নিতে পারে- তার অভাব। আর এরই সুযোগ নেয় যত রকমের মঘা, ইউনানী, কবিরাজি , হার্বাল আব জাব কোম্পানি গুলো। বাংলাদেশে অশিক্ষা তো আছেই , তার চেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো , যারা স্কুল কলেজে পড়েন, তারা কুশিক্ষিত কিংবা অর্ধ শিক্ষিত ।







এখনো মানুষ জানে না , মেয়েদের প্রতি মাসে রক্তপাত হওয়াটা (মাসিক বা রজঃস্রাব) যেমন একটা স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া , সেই রকম পুরুষের কিছুদিন পর পর ইরেকশন বা যৌণাঙ্গ দৃঢ় হওয়া থেকে শুরু করে ইজাকুলেশন বা ধাতু নির্গত হওয়াটা একটা অতি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া । স্বপ্নদোষ নামে যাকে ধর্মভীরু মানুষ এটা সেটা খেয়ে রোগমুক্তির আশা করে, সেইটা আসলে কোন রোগই না । একবার চিন্তা করুন, মেয়েরা যদি দল বেধে "ঋতুদোষের" জন্য কবিরাজি ওষুধ খাওয়া শুরু করে তাহলে ব্যাপার কি দাঁড়াবে?



সময়ের আগেই ধাতু নির্গমন বা ইজাকুলেশন কোন দুর্বলতার লক্ষণ নয় । এইটা কোন রোগও নয়। তবে , পুষ্টিহীন নারী শরীরে যেমন ঋতুস্রাবের সমস্যা হতে পারে, অতিরিক্ত পুষ্টিহীনতায় ভুগলে পুরুষেরও পারফর্মেন্সে ঘাটতি হতে পারে। তবে সে সব ঘাটতি কবিরাজি, ইউনানী হালুয়া খেয়ে কিংবা মলম মেখে দূর করা যায় না । বেটার পার্ফর্মেন্সের জন্য চাই বেটার স্বাস্থ্য । সুস্বাস্থ্য।



যারা জানেন না , তাদের জন্য বলি, অতিরিক্ত শুকনা কিংবা অতিরিক্ত মোটা হলে , উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হলে , সিগারেট - মদ জাতীয় বদভ্যাস থাকলে - যৌণ দক্ষতা কমে যেতে পারে। বাচ্চা হতেও সমস্যা হতে পারে। তার মানে এইনা যে আপনাকে সব ছেড়ে ছুড়ে দিয়ে জিমে গিয়ে ডাম্বেল ভাজতে হবে, কিন্তু , স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান না হলে প্রেমিকা /স্ত্রীর প্রেম পাইতে কিংবা বাচ্চার বাপ হইতে সমস্যা হতেই পারে।





যারা যৌণ শিক্ষার নাম শুনলেই সব গেলো গেলো বলে চিল্লাতে ভালোবাসেন, সেই সব মানুষদের মন রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের পাঠ্য বই গুলাতে যথা সম্ভব কম তথ্য দেওয়া থাকে। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে , উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত আগে মানব দেহ সিলেবাসেই ছিলো না ( বায়োলজি) । আশা করি এখন সেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। মানুষের যৌণ বা রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম আমি উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াতে দেখিনি। এমন কি , মেডিকেলের ফিজিওলজি ম্যাডাম আমাদের বলেছিলেন, " এইটা তোমরা বাড়িতে পড়ে নিও।" এই থেকেই বুঝা যায় , মানুষের দেহের এই অংশ বা সিস্টেমটিকে নিয়ে সঠিক শিক্ষার পরিবেশ বাংলাদেশে প্রায় অনুপস্থিত । কিন্তু তাতে কি প্রলয় বন্ধ আছে?



যারা বলেন, সঠিক যৌণ শিক্ষা দিলে মানুষের নৈতিক আচরণে ধ্বস নামবে , এতদিন তো এই শিক্ষা বাংলাদেশে বন্ধই আছে এক রকম, তাতে কি ধ্বস নামা বন্ধ হয়েছে? কমেছে? নাকি, বেড়েছে?

যৌণ শিক্ষা বন্ধ আছে । কিন্তু যৌণ সঙ্গম কি বেড়েছে না কমেছে?

যৌণ শিক্ষা বন্ধ আছে কিন্তু বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষকে যৌণ সুড়সুড়ি দেওয়া কি বন্ধ আছে?

যারা এর বিরোধিতা করেন, তারা কি দায়িত্ব নিয়েছেন ছেলে মেয়ে গুলো যাতে কোন বিপদে না পড়ে , অশিক্ষা - কুশিক্ষা জনিত স্বাস্থ্যহানি না ঘটায় - সেইটা বন্ধে?

অসামাজিক কার্যকলাপ বাদ দেন, যারা সামাজিক কার্যকলাপ (বিয়ে, বাচ্চা নেওয়া, একটা স্বাভাবিক যৌণ জীবন কাটাতে চান) করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিপদ , আপদ, রোগ, শোক, বিব্রতকর অবস্থা এবং কখনো কখনো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছেন , তাদের শিক্ষার কোন ব্যবস্থা কি নিয়েছেন?



আমরা যারা ডাক্তার , তারা প্রতিদিনই কারো না কারো মারাত্মক কোন সমস্যার কথা শুনি বলে আমরা টের পাই , এই " লুকিয়ে রাখা" , " চেপে রাখা" , "দমিয়ে রাখা" যৌণ অজ্ঞতাজনিত সমস্যা গুলো কি হারে মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করছে। আর কত সহজেই একটা সঠিক শিক্ষা মানুষকে এই কষ্ট গুলো থেকে রক্ষা করতে পারে।

কিছু ঘটনা ঃ



১। এই ২০১০ সালেও এসে শুনতে হয় মঘা , ইউনানী, কবিরাজি, মান্ডার তেল আর শিয়ালের বাম এর বেচাবিক্রির শোর গোল।

২। এই যুগেও মানুষ জানে না কোনটা স্বাভাবিক যৌণতা আর কোনটা অস্বাভাবিক।

৩। অতি আধুনিক দম্পতিকেও বিয়ের পরে পর্ণ দেখে শিক্ষা নিতে হয় কেমনে কি করে। যারা এই সব দেখা পাপ বলে বিশ্বাস করেন, তাদের অবস্থা আরো করুণ।

৪। পতিতার কাছ থেকে "অভিজ্ঞতা" ও "জ্ঞান " আহোরণ করতে গিয়ে যৌণ রোগ বাধিয়ে আসে।

৫। জানে না কিভাবে বাচ্চা হয়।

৬। বিয়ের আট মাসেও না জানা কি ভাবে সঙ্গম করতে হয়।

৭। জানে না কি ভাবে গর্ভ ধারণ আটকানো যায়।

৮। অবৈধ গর্ভপাত এখনো বাংলাদেশের অন্যতম বড় ব্যবসা।

৯। এখনো সন্তান ছেলে কিংবা মেয়ে হওয়া নিয়ে স্ত্রীকেই দায়ী করা হয়।

১০। এখনো যে কোন সমস্যা হলে মানুষ পরিচিত ডাক্তারদের কাছে ছোটে । বেশির ভাগই লজ্জায় চেপে রাখে।

১১। এই যুগে মানুষ মান্ডার তেল, শিয়ালের বাম, শিকড় বাকড় , তাবিজ আর ভিটামিন- স্যালাইনের পিছনে টাকা নষ্ট করে।



এখন সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনার কথা বলি । স্রেফ " কি ভাবে আদর করতে হয় জানে না বলে" স্ত্রীকে বছরের পর বছর ধরে যা করা হয়েছে তাকে শুধু তুলনা করা চলে "ধর্ষণ" হিসেবে । স্ত্রী স্বামীকে ভালোবাসেন কিন্তু তার যন্ত্রনা এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো যে অত্যন্ত ধর্ম ভীরু সেই দম্পতি যৌণতা এক প্রকার বাদ দেন। এক পর্যায়ে স্ত্রী স্বামীকে অনুরোধ করেন, " তোমার দরকার হলে তুমি বাইরে থেকে করে এসো । আমি মানা করবো না।"



এখন প্রশ্ন হইলো , আল্লাহ মানুষের ভিতর যৌণ সঙ্গম নামক একটা প্রক্রিয়া দিয়েছেন যার মাধ্যমে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা প্রকাশিত হওয়ার কথা। যার মাধ্যমে নতুন শিশু জন্ম হওয়ার কথা । সেই প্রক্রিয়াটা একজন স্ত্রীর জন্য এত কষ্টের কেন হবে? কেন একজন স্ত্রীর মনে হবে তাকে ধর্ষণ করা হচ্ছে ? আর স্বামীই বা কেন বুঝবে না কোনটা ভালোবাসা আর কোনটা ধর্ষণ ? এই মারাত্মক অবস্থাটা কিন্তু আমি দেখেছি আমার পরিচিত গন্ডিতে ! ঘটনার কেউ মূর্খ , অশিক্ষিত নয়। বরং উচ্চ শিক্ষিত । এরা কেউ পাশবিক নয় বরং সঙ্গী- সঙ্গীনীর প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল। এরা কেউ ধর্মহীন নয় - এদের কেউ কেউ প্রচন্ড ধার্মিক ( ১ম তরুণ বাদে) ।



বাংলাদেশের সমাজের যেই অংশটি অশিক্ষিত , তাদের অবস্থা আরো ভয়াবহ।



আমাদের বুঝতে হবে , যৌণ শিক্ষা শুধুমাত্র বায়োলজির বিষয় নয়। এর সাথে জড়িত আছে স্বাস্থ্য। এর সাথে জড়িত আছে যৌণতার সামাজিক, ধর্মীয়/নৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং অবশ্যই অর্থনৈতিক ইস্যু । যৌণতার সাথে জড়িত আছে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ মানসিক ও আবেগ এর বিকাশ। এখনো বাংলাদেশে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার ভয়াবহ। আমরা এখনো এই সব স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করতে পারছি না বলে অন্য কোন দিকে উন্নতির কথা ভাবতেই পারছি না । প্রতিনিয়ত পিছিয়ে যাচ্ছি দুনিয়া থেকে। আমরা কি একটা স্বাস্থ্য, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক,পারিবারিক (বাচ্চা হওয়া থেকে শুরু করে একটা বাচ্চাকে সঠিক ভাবে লালন পালন করতে কি কি করা লাগে, কেমন খরচ হয়) ও নৈতিক শিক্ষাসহ একটা পরিপূর্ণ ও ব্যালেন্সড যৌণ শিক্ষার সিলেবাস তৈরী করতে পারি না?



দেশে নতুন শিক্ষানীতি চালু হতে যাচ্ছে । সরকার কি যৌণ শিক্ষার এই দিকে কিছু সিস্টেমিক ও সাহসী পদক্ষেপ নেবেন?



যারা ভবিৎষতে প্রেম করবেন এবং প্রেমের বিয়ে করবেন...কিছু হিতোপদেশ

আমাদের কনজার্ভেটিভ সমাজ ব্যবস্হায় স্কুল-কলেজ গন্ডীতে প্রেম হলেও সেগুলো ফিকে হয়ে যাবার সম্ভাবনা বেশী থাকে সময়ের সাথে...বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আবার সেটা উল্টো! সময়ের সাথে সেটা গাঢ় হয়...সবাই ভবিৎষত বা সংসারেরও স্বপ্ন দেখে..(একটা ছোট ঘটনা বলি...এক সিনিয়র ভাই আমাদের ব্যাচের এক মেয়ের প্রতি ছিল চরম পাগল...এমন কিছু নাই করে নাই...সে মেয়ে কর্তৃপক্ষের বহু উপর পর্যন্ত গিয়েছিল অভিযোগ নিয়ে...কাহিনী হলো সে সিনিয়র ভাই যখন পাস করে বের হয়ে গেল তখন কিভাবে জানি তাদের প্রেম হয়ে যায়!! সংসার করছে এখন কানাডাতে)...




প্রেম যারা করার ইচ্ছা পোষণ করছেন (সিরিয়াসলি...টাইম পাস কিংবা শারিরীক বিষয়গুলোর জন্য নয়)...কিছু হিতোপদেশ...এইগুলো আমার নিজের জীবনের বা চোখে দেখা ঘটনার থেকে সংকলিতঃ



১. কনফার্ম হোন ছেলে-মেয়ে দু'জনই একই ধর্মের

২. সমসাময়িক ব্যাচের মেয়ে হলে প্রেম এভয়েড করুন (বিয়ের পর চাকরি, ইগো, সন্তান ইত্যাদি সমস্যা তৈরি হয়)

৩. ছেলে-মেয়ে ভাই-বোনদের লিস্টিতে কত নম্বরে এবং তাদের বৈবাহিক অবস্হা জেনে নিন (উদহারণ: ছেলে ৩ ভাইদের মধ্যে ছোট আর মেয়ে ২ বোনের মধ্যে বড়; পাশ করার পর মেয়ের বিয়ের হুড়োহুড়ি শুরু হবে কিন্তু ছেলের বড় ভাইদের বিয়ে না হয়ে থাকলে লাগলো গ্যান্জাম)

৪. খুবই গুরুত্বপূর্ণ নিজের অর্থনৈতিক-সামাজিক অবস্হানের বাইরে প্রেম করতে যাবেন না (মধ্যবিত্ত ছেলে-উচ্চ মধ্যবিত্ত মেয়ে)...বিয়ের পরে জীবন শেষ

৫. নিজের এলাকার ছেলে-মেয়ে দেখে প্রেম করুন (সামাজিকতার অনেক জটিলতা তৈরি হয়)

৬. ছেলে বা মেয়ে, নিজের বোনদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিন, সংসারে বোনরা একটা বড় ডিসিশন মেকিং পারসন, বিয়ের আগে ও পরে

৭. প্রেমের আবেগের রাশে বাস্তবতা ভুলে যাবেন না, পরে পস্তাতে হবে

৮. যদি সম্পর্কের ব্যাপারে মনে কোন কিন্তু থাকে কখনও শারিরীক কোন ব্যাপারে যাবেন না (মেয়েরা বিশেষ ভাবে যত্নবান হোন, মোবাইল-হিডেন ক্যামের ব্যাপারে সচেতন থাকুন)

৯. বিয়ের পরের লাইফ নিয়ে আলাপ করুন, আপনার নিজের এবং পরিবারের (ছেলেদের বিশেষ করে) সব লিমিটেশন, সিচুয়েশন, সদস্যদের মানসিকতা ইত্যাদি খোলামেলা আলাপ করুন। জটিলতা বিয়ের পর তৈরি হবার চেয়ে ইনিশিয়াল স্টেজে প্রেম ভেঙ্গে যাওয়া ভালো

১০. পাঠক, আপনি ই এই টিপস টা লিখুন।
Twitter Bird Gadget